কীভাবে গরু পালনে লাভ করা যায়
বাংলাদেশে অনেক বড় বড় গবাদি পশুর খামার রয়েছে। এসব খামারে বিভিন্ন জাতের গরু পালন করা হয়। আজ আমরা জানব, কোন জাতের গরু পালন করলে অল্প সময়ে বেশি লাভ পাওয়া সম্ভব এবং গরু পালনের পদ্ধতি সম্পর্কেও আমরা জেনে নেব।
তবে মনে রাখবেন ষাঁড় গরু পালনে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে তারপর আপনার লাভ করার সম্ভাবনা রয়েছে। টার্গেট থাকতে হবে বছরের শেষে অথবা কুরবানী ঈদে বিক্রি করার তাহলে ভালো দামে ষাঁড় গরুতে লাভ করা যায়।
সূচিপত্রঃ গরুর খাবার তালিকা
- ধানের গুড়া
- গমের ভুসি
- সরিষার খোল
- সোয়াবিনের খোল
- ফিট
- খুদি
- ভুট্টার গুঁড়া
যেভাবে খাওয়াতে হয়
সকালে খাবার দিতে হবে যেমন খড় অথবা ঘাস একত্র করে মিশিয়ে দিতে পারেন আলাদা আলাদা ভাবেও দিতে পারেন, সেটি খাওয়া হইলে উপরের যে খাবার তালিকা রয়েছে সেটি একত্রে পানির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পরিমাণমতো খাওয়া যেতে হবে। তারপর দুপুরের দিকে গরুটিকে পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করা হয়। সেই একই খাবার বিকালেও দিতে হবে টানা ৬০ দিন এই তালিকা চলতে থাকবে। তাহলে গরুর পরিবর্তন অল্প দিনেই দেখা দেবে।
গোসল করার নিয়ম
গরুকে প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করা প্রয়োজন। কেননা প্রতিদিন গোসল করলে গরুর লোম ও চামড়া পরিষ্কার থাকে। ফলে মাছি থেকে অনেকটা সুরক্ষা পায়। এবং গরু দেখতেও সুন্দর লাগে। তাই অবশ্যই প্রতিদিন একবার হলেও গোসল করা প্রয়োজন।
ডাক্তারের পরামর্শ
অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ রেখে গরু মোটাতাজা করা ভালো মনে করি। কেননা গরুর অনেক রোগ বালাই রয়েছে। যেমন অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে গরুর পেট ফুলে যায় অথবা পেটে গ্যাস হয়ে যায়, সেগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনকি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার খাওয়াতে হবে।
কোন গরুতে লাভ বেশি
আসলে প্রতিটা খামারিরা ভালোভাবে জানেন যে বলতে লাভ বেশি হয় ষাঁড় গরু ও গাভী গরু মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তাদের লাভটাও পার্থক্য, কারণ গাভী গরুতে দুধ দেয় অথবা বাচ্চুর প্রয়োগ করে সে ক্ষেত্রে আমি মনে করব গাভী গরুতে লাভ একটু হলেও বেশি। দুধ বিক্রি করে আপনি ক্ষমা চালাতে পারবেন আর ষাঁড় গরু পালতে গেলে টাকা খরচ করার প্রয়োজন তবে ষাঁড় গরু ক্ষেত্রে বছরের শেষে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমি মনে করি যাবে গরু তেই লাভ কিছুটা হলেও বেশি।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url